রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ফাঁকা ওএমআর শিটে চাকরি পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক মিলিয়ে অসংখ্য প্রার্থীর ওএমআর শিট (উত্তরপত্র) বিকৃত হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। কখনও সামান্য কিছু উত্তর দিয়ে তো কখনও ফাঁকা ওএমআর শিট জমা দিয়েই নিয়োগ পেয়েছেন বহু প্রার্থী। গ্রুপ ডি এর নিয়োগেও মিলেছে বিস্তর দুর্নীতির হদিশ। সিবিআই এর দাবি এই দুর্নীতি সীমাহীন। তবে এদিন আদালতে এসএসসি জানিয়েছে গ্রুপ ডির ১২৫ জন প্রার্থী সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন।
রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির জল গড়িয়েছে বহুদূর। গ্রুপ ডি এর নিয়োগও দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত হয়নি। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে হাজার হাজার গ্রুপ ডি প্রার্থীকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়ের হয় আদালতে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) দাবি করেছে বেআইনি নিয়োগের সংখ্যাটা একশোর কোটায় থেমে নেই। এটা ছাড়িয়েছে অন্তত হাজার দুয়েক। এদিন আদালতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলা চলাকালীন সময়ে সিবিআই দাবি করে, গ্রুপ ডি এর নিয়োগে শূন্যপদ ছিল ৪ হাজার ৪৮৭। তার মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি পদে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে। এবং এই প্রত্যেক প্রার্থীর উত্তরপত্রে কারচুপি হয়েছে।
চাকরির খবরঃ Kolkata Job Fair 2023
[quads id=10]
তবে সিবিআইয়ের এই পরিসংখ্যানকে অস্বীকার করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এক্ষেত্রে এসএসসির দাবি, তাঁদের রিপোর্ট অনুসারে মোট ১২৫ জন প্রার্থী ফাঁকা ওএমআর শিটে চাকরি পেয়েছেন। এসএসসির এহেন দাবির পর বিচারপতি নির্দেশ দেন স্কুল সার্ভিস কমিশন ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এসএসসির গ্রুপ ডি নিয়োগের বিকৃত উত্তরপত্রের বিস্তারিত রিপোর্ট হলফনামার মাধ্যমে জানাতে হবে আদালতকে।








