ভারতীয় রেলে ৩৫ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগ, বিরাট সুখবর চাকরিপ্রার্থীদের জন্য

Railway NTPC Today 2nd Shift Questions

নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর দিল ভারতের রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। করোনা প্রাক্কালে যখন দেশজুড়ে লক্ষাধিক মানুষ কাজ হারাচ্ছেন, সেই মুহূর্তে প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেলওয়ে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। রেলওয়ে বোর্ড জানিয়েছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হচ্ছে, এবং তা শেষ হবে ১৩ জানুয়ারি। ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম দফার এনটিপিসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এনটিপিসি পরীক্ষা একাধিক দফায় আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত চলবে। দেশজুড়ে এই পরীক্ষা দেবে প্রায় ১.২৬ কোটি পরীক্ষার্থী। ভারতীয় রেলওয়ের মোট ২১ টি রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পরীক্ষার তারিখ, পরীক্ষার শহর, পরীক্ষার কেন্দ্র জানার জন্য লিংক চালু করা হয়েছে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের তরফ থেকে। এবং প্রত্যেকের নিজ নিজ পরীক্ষা তারিখের ৪ দিন আগে থেকে এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

মার্চ মাসে এনটিপিসি পরীক্ষা শেষ হলে এপ্রিল মাস থেকে প্রায় ১ লক্ষ শূন্যপদে গ্রুপ-ডি নিয়োগের পরীক্ষা নেবে ভারতীয় রেল। এই পরীক্ষা শেষ হবে জুন মাসে। এই পরীক্ষা দেবে প্রায় ১.১৫ কোটি পরীক্ষার্থী। দেশজুড়ে প্রতিটি রাজ্যের বিভিন্ন শহরে পরীক্ষা কেন্দ্রের আয়োজন করেছে রেল বোর্ড।

পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড জানিয়েছে, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে মুখে মাস্ক পরতে হবে, এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেল দপ্তর সূত্রে খবর, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর দেহের তাপমাত্রা মাপা হবে, শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হলে তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে ওইসব পরীক্ষার্থীদের রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর এবং মেইল আইডিতে পরবর্তী পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। ওইসব পরীক্ষার্থীকে নতুন তারিখে পরীক্ষা দিতে যেতে হবে। সকল পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে সেল্ফ ডিক্লারেশন দিতে হবে, যে তাঁরা করোনা আক্রান্ত নন। দেশের মধ্যে রেল বিভাগে সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ হয়ে থাকে, আর সেই রেল বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতেই চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে খুশির হাওয়া।