দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষায় সাহায্যের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি স্কলারশিপ রয়েছে। যার মধ্যে জে এন টাটা লোন স্কলারশিপ অন্যতম উল্লেখযোগ্য। এটি একটি লোন স্কলারশিপ, অর্থাৎ এখানে যে স্কলারশিপ দেওয়া হয় সেই টাকা পড়ুয়াদের ফেরত দিতে হয়, তবে কোন রকম সুদ দিতে হয় না। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ন্যূনতম ১ লক্ষ টাকা থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায় এখানে। প্রতিবছর টাটা ট্রাস্টের পক্ষ থেকে দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই স্কলারশিপ পেয়ে উপকৃত হয়। চলতি শিক্ষাবর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যেও সম্প্রতি এই স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যারা আবেদনে ইচ্ছুক তারা আজকের প্রতিবেদনে সমস্ত খুঁটিনাটি জেনে নিন।
এক নজরে
জে এন টাটা লোন স্কলারশিপ 2026
| স্কলারশিপ এর নাম | JN Tata Endowment Loan Scholarship। |
| ধরন | বেসরকারি। |
| প্রদানকারী সংস্থা | টাটা ট্রাস্ট। |
| টাকার পরিমান | ১ থেকে ২০ লাখ টাকা। |
| কারা পাবে | স্নাতক পাস পড়ুয়ারা। |
| আবেদন পদ্ধতি | অনলাইন। |
| আবেদনের সময়সীমা | আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। |
| অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | www.jntataendowment.org |
টাকার পরিমাণ
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে ১ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন স্কলারশিপ দেওয়া হয়। এই টাকার কেবল সুদ ছাড়া মূলধন টুকু ফেরত দিতে হয়। এছাড়া, অসাধারণ ফলাফল বা বিশেষ কৃতিত্বের জন্য শিক্ষার্থীরা ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ‘গিফট স্কলারশিপ’ এবং ভ্রমণ ভাতাও পেতে পারেন। এগুলো ফেরত দিতে হয় না।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
- আবেদনকারীকে ভারতের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নূন্যতম ৬০ শতাংশ নম্বর সমেত স্নাতক পাস হতে হবে। যারা স্নাতক স্তরের শেষ বর্ষে আছেন তারাও আবেদন করতে পারবেন।
- বর্তমানে বিদেশে কোন স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বা সমতুল্য কোর্সে ভর্তি হতে হবে।
আরও পড়ুনঃ বিশ্ববীণা স্কলারশিপ 2026
আবেদন প্রক্রিয়া
- এই স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক।
প্রথমে www.jntataendowment.org বা www.buddy4study.com গিয়ে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। - প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
- তারপর আবেদন পত্র যাচাই করে নিয়ে সাবমিট করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
অনলাইন আবেদনের সময় নিম্নলিখিত নথি গুলি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- আধার কার্ড।
- স্নাতক পাশের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট।
- বিদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার অ্যাডমিশন লেটার।
- স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (কেন বিদেশে পড়তে চান সেই নিয়ে হাতে লেখা একটি বিবৃতি)।
- বৈধ পাসপোর্ট।
নির্বাচন পদ্ধতি
আবেদনের পর সমস্ত ডকুমেন্ট যাচাই করে সংস্থার পক্ষ থেকে আবেদনকারীদের একটি অনলাইন টেস্ট দিতে বলা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে একটি সাক্ষাৎকার বা ইন্টারভিউ দিতে হয়। এই দুই ধাপের রেজাল্টের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান করা হয়।
আবেদনের সময়সীমা
এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া বর্তমানে শুরু হয়ে গিয়েছে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে বলা হচ্ছে। কারণ নির্দিষ্ট সংখ্যক আবেদন জমা পড়ার পর পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এরকম স্কলারশিপ সঙ্ক্রান্ত খবর সবার আগে পেতে এক্ষনি আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন হন টেলিগ্রাম গ্রুপঃ Join Now






