প্রাথমিক দুর্নীতি মামলায় সিলমোহর ডিভিশন বেঞ্চের, পড়ুন বিস্তারিত প্রতিবেদন

প্রাথমিক দুর্নীতি মামলায় সিলমোহর ডিভিশন বেঞ্চের

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দূর্নীতি নিয়ে ফের নয়া মোড় রাজ্যে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ বহাল রাখলো কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বহাল রাখা হয় মানিক ভট্টাচার্য ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তির হিসাব পেশের নির্দেশ। এছাড়াও এদিন হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, দপ্তরের নথি ফরেন্সিক রিপোর্টের ক্ষেত্রেও বহাল থাকবে। হাইকোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চলবে। প্রয়োজনীয় সময় মতো রিপোর্ট চাইতে পারবে সিঙ্গেল বেঞ্চ। সেই সঙ্গে ২৬৯ জন চাকরিপ্রার্থী কোনোভাবে শুনানির আর্জি জানাতে পারবে না নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের।

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আর সেই চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করে মামলা করেছেন একাধিক পক্ষ। ডিভিশন বেঞ্চে মামলায় গিয়েছে রাজ্য, প্রাথমিক বোর্ড, মানিক ভট্টাচার্য ও চাকরি হারানো প্রার্থীরা। এদিন ২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার অভিযোগ উঠে, কোন বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ২০১৭ সালের দ্বিতীয়বারের নিয়োগ প্রক্রিয়া লুকিয়ে করা হয়েছে। এমনকি ভুল প্রশ্নে বাড়তি এক নাম্বার বেছে বেছে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ নিয়ে সুখবর

তাপস ঘোষ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ, শাসক দলের নেতা মন্ত্রী তাদের নিজেদের কোটা অনুযায়ী চাকরি দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গেই মামলা উঠে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ, মানিক ভট্টাচার্য সহ একাধিক পক্ষ। এবিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। মানিক ভট্টাচার্যর অপসারণ সিদ্ধান্ত সহ একাধিক রায় বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ।