স্কুলের শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন করলে কড়া পদক্ষেপ, সিদ্ধান্ত শিক্ষা দপ্তরের

স্কুলের শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন

রাজ্যের সরকারী এবং সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, বহু আগে থেকেই। কিন্তু অভিযোগ, সরকারের সেই নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বহু স্কুল শিক্ষক রমরমিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিলেন তার প্রাইভেট টিউশনের ব্যবসা। অবশেষে এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলো পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতর।

সিদ্ধান্ত হয়েছে সমস্ত সরকারী ও সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের প্রধানদের চিঠি দিয়ে জানানো হবে কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেলে যেন কড়া পদক্ষেপ নেন তিনি। রাজ্যের শিক্ষা সংক্রান্ত আইন কানুন ভঙ্গ করে শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনের এই রমরমিয়ে ব্যবসার প্রতিবাদ বারংবার করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাইভেট টিউটর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। তারা বারবার আন্দোলনের পথে নেমেছে এবং শিক্ষা দপ্তর তথা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পিটিশন জমা দিয়েছে। বারবার তাদের আস্বস্ত করা হলেও তেমন কাজের কাজ হয়নি। এই বিষয়টি হাইকোর্টে গেছিলো।

চাকরির খবরঃ ৬ হাজার শূন্যপদে ব্যাংকে ক্লার্ক নিয়োগ

তার পরেই এদিন শিক্ষা দপ্তরের কমিশনারের তরফে সমস্ত সরকারী স্কুলের প্রধানদের ‘প্রাইভেট টিউশন নিষিদ্ধকরণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরকারি এবং সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন এবং কোচিং সেন্টার চালানো আইনত অপরাধ। কেউ এ বিষয়ে ধরা পড়লে ‘রাইট অব চিলড্রেন টু ফ্রী অ্যান্ড কম্পালসারি এডুকেশন অ্যাক্ট, ২০০৯’ অনুযায়ী উক্ত শিক্ষক- শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর আওতায় পড়বে জুনিয়র হাই স্কুল, হাই স্কুল এবং মাদ্রাসা সমূহ।

চাকরির খবরঃ রাজ্য খাদ্য দপ্তরে ১২০০ শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ