স্ত্রীর চাকরি পেয়েছে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দিয়ে, অভিযোগ করলেন স্বামী নিজেই

স্ত্রীর চাকরি পেয়েছে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দিয়ে

নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যে বেআইনীভাবে শিক্ষক নিয়োগের আরোও এক দৃষ্টান্ত উঠে আসছে গণমাধ্যমে। প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পেয়েছেন পাপিয়া মুখোপাধ্যায় নামে এক শিক্ষিকা। আপাতত সিবিআইকে এমনই জানিয়েছেন পাপিয়া মুখোপাধ্যায়ের স্বামী নদিয়ার কল্যাণীর বাসিন্দা জয়ন্ত বিশ্বাস।

এদিন সিবিআইয়ের জেরায় জয়ন্ত বিশ্বাস জানান, নদিয়ার হবিবপুরের পানপাড়ার রাঘবপুর কনভার্টেড জুনিয়র প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষিকা’র চাকরি পান তাঁর সহধর্মিনী কল্যাণীর বাসিন্দা পাপিয়া মুখোপাধ্যায়। পাপিয়া মুখোপাধ্যায় ২০১২ সালে টেট পরীক্ষায় বসেছিলেন কিন্তু পাশ করতে পারেননি। ২০১৪ তে ফের পরীক্ষা দেন এবং ২০১৭ তে চাকরি পান। জয়ন্তের দাবী বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডল নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে তিনি প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা দেন। তারপরেই চাকরি পান তার স্ত্রী পাপিয়া মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ পুজোর পরেই রাজ্যে প্রাইমারি টেট পরীক্ষা

পাপিয়া মুখোপাধ্যায় পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ২০১২ তে ফর্ম পূরণ করলেও ছেলে অসুস্থ হওয়ায় পরীক্ষা দিতে পারিনি। ঐ অ্যাডমিড কার্ড নিয়ে ২০১৪ তে পরীক্ষায় বসি। পাশ করি। পরে সরকারী নিয়মানুযায়ী মোবাইলে এসএমএস আসে এবং ২০১৭ তে সম্পূর্ণ আইনসম্মত ভাবে রাঘবপুর কনভার্টেড জুনিয়র প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দিই। এছাড়া তিনি আরোও যোগ করেন, স্বামীর সঙ্গে বহুদিন যোগাযোগ নাই। একাধিক কোর্টে ৬-৭ টি মামলা চলছে। উনি ( জয়ন্ত বিশ্বাস) কাউকে টাকা দিয়েছেন কিনা সে বিষয়ে জানা নেই।

চাকরির খবরঃ রাজ্যের স্কুলে গেস্ট টিচার নিয়োগ চলছে

পাপিয়া মুখোপাধ্যায়ের স্কুল সূত্রে খবর, তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে রয়েছেন। পাপিয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে কোনোরূপ মন্তব্য করতে চাননি।